১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর রবীন্দ্রনাথ সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ করেন। ঊনসত্তর বছর বয়সের অপটু স্বাস্থ্য, রাশিয়া সম্বন্ধে প্রতিকূল নানা প্রচারকে উপেক্ষা করেই তিনি রাশিয়া গিয়েছেন। একে তো রাশিয়া 'তলস্তয়, দস্তয়েভস্কি, সলেভিওডের দেশ', যা দেখে 'তারপর মরলে আফসোস নেই' অধিকন্তু 'গত কয়েক বছরের রক্তাপ্লুত ঘটনা সত্ত্বেও' মহান ভবিষ্যতের পথে পা-বাড়ানো 'মহান রুশ জাতি অন্তরের যে সম্পদ গড়ে তুলে বিশ্বসভ্যতার রত্নভাণ্ডারকে সমৃদ্ধতর' করেছেন, তা অনুধাবনের আকর্ষণও ছিল। একদিকে 'অনেকে আমাকে ভয় দেখিয়েছে... আরামের অভাব; বলেছে, আহারাদি সমস্তই এমন মোটারকম যে আমি তা সহ্য করতে পারব না। তাছাড়া ... আমাকে যা এরা দেখাবে তা অধিকাংশই বানানো' 'বলশেভিকদের সম্বন্ধে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় তাদের সম্বন্ধে ক্রমাগতই উল্টো কথা' শোনার অভিজ্ঞতা তো ছিলই। এতদসত্ত্বেও তিনি গিয়েছেন, বিভিন্ন স্তরের অখ্যাত ও বিখ্যাত লোকেদের সঙ্গে মিশেছেন এবং সেখান থেকে এবং দেশে ফেরবার পথে জাহাজ থেকে মোট ১৪ টি চিঠি বাংলায় লিখেছেন। এর পরেও দেশে ফিরে বিভিন্ন চিঠিপত্রে তিনি রাশিয়ার নতুন সমাজ-কাঠামোর প্রশস্তি করেছেন। উক্ত ১৪ টি চিঠি র সাথে "সোভিয়েট নীতি" নামক একটি উপসংহার ও পরিশিষ্ট হিসেবে সোভিয়েত সম্বন্ধীয় তিনটি প্রবন্ধ যথাক্রমে "গ্রামবাসীদের প্রতি", "পল্লীসেবা" ও "কোরীয় যুবকের রাষ্ট্রীক মত" যোগ করে "রাশিয়ার চিঠি" প্রকাশিত হয়। এই বইয়ে
For young readers
Book data: Open Library