Skip to content

আড়াই হাজার বছরেরও বেশি আগে যিনি জন্মেছিলেন, এমন একজন মানুষ কীভাবে আজকের মানুষের মনের কাছাকাছি আসতে পারেন? বিশেষ ক'রে বিজ্ঞানচেতনায় সমৃদ্ধ বস্তুবাদী মনের কাছে গৌতম বুদ্ধ কোন আবেদন রাখতে সক্ষম? আশি বছর বয়সে মুমূর্ষু শরীর নিয়ে যখন গৌতম কুশীনগরে পৌঁছোলেন, তখন আশপাশের গাঁয়ে গাঁয়ে বার্তা ছড়িয়ে গেল, তথাগতের মহাপরিনির্বাণ আসন্ন। শেষবার তাঁর দর্শনলাভের আশায় ও তাঁর উপদেশ শুনতে বহু ভক্ত কুশীনগরে উপস্থিত হলেন। অসুস্থ শরীরেই নানা প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন বুদ্ধ। একজন জিজ্ঞাসা করলেন, "আপনার মহাপরিনির্বাণের পরের অবস্থা কী হবে?" বুদ্ধ উত্তর দিলেন, "কিছু না। এর পরে কিছু নেই। সম্পূর্ণ নাস্তি।" পরলোকের কথা বললেন না, পরমাত্মার কথা বললেন না; জীর্ণ বস্ত্র ত্যাগ করে নতুন বস্ত্র পরিধানের কোনও কথা নেই, কথা নেই পুনরুত্থানের বা নব-অবতারের। নাস্তিক মন, বস্তুবাদী মন, আকৃষ্ট হবে বই কি, আজকের দিনেও? কিন্তু যাঁরা নাস্তিক নন, যাঁরা ভগবদ্বিশ্বাসী, তাঁদেরও আকর্ষণ করেছে বুদ্ধদেবের অক্রোধ, মানবিকতা আর সত্যনিষ্ঠার সাধনা। উভয় ধরনেরই শ্রদ্ধার নিদর্শন এই বইয়ের প্রবন্ধমালায় পাওয়া যাবে। ১২ জন সুপ্রতিষ্ঠিত প্রবন্ধকারের মধ্যে একদিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বা রবীন্দ্রনাথ যেমন আছেন, অন্যদিকে তেমন রাহুল সাংকৃত্যায়ন, দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় প্রভৃতি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদীরাও এখানে উপস্থিত। আসলে, ঈশ্বর আছেন কি নেই, সেই তর্কের মধ্যে যেতেই চ

Writing a summary for young readers…

For young readers

Book data: Open Library